নারী মুক্তির দিশারী ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

msid-54340815,width-400,resizemode-4,ishwar
বিশেষ প্রতিবেদন, পিপলস রিপোর্টার, ২৯ জুলাইঃ  ঊনবিংশ শতকের একজন বিশিষ্ট বাঙ্গালী শিক্ষাবিদ, সমাজ সংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যার সম্পর্কে স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ বলেছেন— ‘তাঁহার মহৎ চরিত্রের যে অক্ষয়বট তিনি বঙ্গভূমিতে রোপণ করিয়া গিয়াছেন তাহার তলদেশ জাতির তীর্থস্থান হইয়াছে।’ তাঁর প্রকৃত নাম ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় । সংস্কৃত ভাষায় অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য ১৮৪১ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধিতে ভূষিত হন ।
১৮২০ সালের ২৬শে সেপ্টেম্বর বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুরের বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আজ ২৯ শে জুলাই তাঁর ১২৬ তম প্রয়াণ দিবস।
বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একজন দার্শনিক, শিক্ষাবিদ, লেখক, অনুবাদক, প্রকাশক এবং ভাষাবিদ ছিলেন।
অন্যদিকে তিনি ছিলেন একজন সমাজ সংস্কারক, বিধবা বিবাহ, স্ত্রী শিক্ষা প্রচলন, বহু বিবাহ এবং বাল্য বিবাহের মতো সামাজিক অভিশাপ দূরীকরণে তাঁর অক্লান্ত সংগ্রাম আজো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরিত হয়। নারী মুক্তির বার্তা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে, বিভিন্ন জেলাতে বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন।
বাঙ্গালার নবজাগরণের এক পুরোধা ব্যক্তিত্ত্ব দেশের আপামর জনগণের কাছে দয়ার সাগর নামে পরিচিত ছিলেন। যে লোকাচার ধর্মের নামে সমাজে প্রচলিত, আসলে তা ধর্ম বহির্ভূত স্থবিরতার আচার মাত্র। হিন্দু শাস্ত্রবিদ হয়েও, ধর্মকে শিক্ষাক্ষেত্র থেকে নির্বাসিত করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধাবোধ করেন নি ।
১৮৯১ সালের ২৯ সে জুলাই কোলকাতার বাদুরবাগানের বাসভবনে লিভার ক্যানসারে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আমাদের প্রাতঃস্মরণীয় ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

 

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s